মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ইতিহাস

খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠা

১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বিষয়ক অধ্যাদেশ জারির ২৬ বৎসর পর বর্তমান সরকারের বিগত মেয়াদকালে ৫ নভেম্বর ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে বহু প্রত্যাশিত খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট গঠণ করা হয়।  ইহা ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা। সরকার প্রদত্ত এনডাউমেন্ট তহবিলের মুনাফার টাকায় মূলত এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ট্রাস্টের কার্যাবলী

১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দের খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশে বর্ণিত ট্রাস্টের কার্যাবলী নিম্নরূপ ঃ-

(১) সাধারণত ট্রাস্টের কার্যাবলী  হবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের  ধর্মীয় কল্যাণ সাধন।

(২) বিশেষত এবং উপরোক্ত বিধানের সামগ্রিকতা ক্ষুণœ না করে ট্রাস্ট-

(ক)    খ্রিস্টান ধর্মীয় উপাসনালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রশাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে পারবে;

(খ)    খ্রিস্টান ধর্মীয় উপাসনালয়ের পবিত্রতা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে;

(গ)    এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় বিবেচনায় অন্যান্য কার্য বা বিষয়াদি সম্পাদন করতে পারবে।

 

খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠাকল্পে একটি অধ্যাদেশ

যেহেতু, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা এবং ইহার সহিত সংশ্লিষ্ট ও সহায়ক বিষয়াদির  জন্য ইহা সমীচীন;

সেহেতু, এক্ষণে, ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মার্চের ফরমান অনুসারে এবং এতদুদ্দেশ্যে ন্যস্ত সকল ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি সন্তুষ্ট হইয়া নিম্ন বর্ণিত অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেনঃ

১।  সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।- (১) এই অধ্যাদেশ খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ নামে অভিহিত হইবে।

(২) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ স্থির করিবে সেই তারিখ হইতে ইহা কার্যকর হইবে।

২। সংজ্ঞা।- বিষয় ও প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই অধ্যাদেশে-

(ক)    “বোর্ড” অর্থ ধারা-৫ এর অধীন গঠিত বোর্ড অব ট্রাস্টিকে বুঝাইবে;

(খ)    “চেয়ারম্যান” অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বুঝাইবে;

(গ)    “নির্ধারিত” অর্থ এই অধ্যাদেশের অধীন প্রণীত বিধিমালা ও প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত;

(ঘ)    “ট্রাস্ট” অর্থ ধারা-৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে বুঝাইবে;

(ঙ)    “ট্রাস্টি” অর্থ বোর্ডের ট্রাস্টি; এবং

(চ)    “ভাইস-চেয়ারম্যান” অর্থ বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যানকে বুঝাইবে।

৩। ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা।- (১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করা হইবে।

(২)     ট্রাস্ট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে, যাহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং স্থাবর অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা উক্ত নামে মামলা করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধেও মামলা করা যাইবে।

(৩)     সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে স্থান নির্ধারণ করিবে সে স্থানে ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় থাকিবে।

৪। সাধারণ নির্দেশনা।- এই অধ্যাদেশের অধীন প্রণীত বিধিমালা ও প্রবিধান সাপেক্ষে, ট্রাস্টের সাধারণ নির্দেশনা ও প্রশাসনিক বিষয়াদি বোর্ড অব ট্রাস্টির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং বোর্ড যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ এবং কার্য এবং বিষয়াদি সম্পাদন করিতে পারে ট্রাস্ট সেইগুলি প্রয়োগ বা সম্পাদন করিতে পারিবে।

৫। বোর্ড।- (১)     নিম্ন বর্ণিত ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথাঃ-

(ক) মন্ত্রী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যিনি এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হইবেন; এবং

(খ) সরকার কর্তৃক ছয় জন ট্রাস্টি নিযুক্ত হইবেন।

(২)     সরকার একজন ট্রাস্টিকে বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগদান করিবে।

(৩)     সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রাস্টিগণ তিন বৎসরের জন্য পদে বহাল থাকিবেন।

(৪)     সরকার কোন প্রকার কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে যে কোন ট্রাস্টিকে যে কোন সময় অপসারণ করিতে পারিবে।

(৫)    একজন নিয়োগপ্রাপ্ত ট্রাস্টি চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত  পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

৬।  বোর্ডের সভা।- (১) নির্ধারিত সময়ে, স্থানে ও পদ্ধতিতে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ও স্থানে এইরূপ সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(২)      বোর্ডের সভায় কোরাম পূরণের জন্য অন্যূন তিন জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হইবে।

(৩)        চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে ভাইস চেয়ারম্যান এবং উভয়ের

অনুপস্থিতিতে এতদুদ্দেশ্যে  চেয়ারম্যান কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ট্রাস্টি সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪)    বোর্ডের সভায় প্রত্যেক ট্রাস্টির একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।

(৫)    কেবল সদস্য পদের শূন্যতা বা বোর্ডের গঠনে ক্রটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ বা প্রশ্নের সম্মুখীন হইবে না।

৭।      ট্রাস্টের কার্যাবলী।- (১) সাধারণতঃ ট্রাস্টের কার্যাবলী  হইবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের  ধর্মীয় কল্যাণ সাধন।

(২) বিশেষতঃ এবং উপরোক্ত বিধানের সামগ্রিকতা ক্ষুণœ না করিয়া, ট্রাস্ট-

(ঘ)    খ্রিস্টান ধর্মীয় উপাসনালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রশাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করিতে পারিবে;

(ঙ)    খ্রিস্টান ধর্মীয় উপাসনালয়ের পবিত্রতা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে;

(চ)    এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় বিবেচনায় অন্যান্য কার্য বা বিষয়াদি সম্পাদন করিতে পারিবে।

৮।     কর্মকর্তা, ইত্যাদি নিয়োগ।- (১) ট্রাস্টের একজন সচিব থাকিবে যিনি নির্ধারিত শর্তে বোর্ড কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন।

(২)    ট্রাস্ট ইহার কার্যাবলী দক্ষতার সহিত সম্পাদনের জন্য নির্ধারিত শর্তে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৩)    সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত অথবা অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন করিবেন।

৯।     ক্ষমতা অর্পণ।- বোর্ড লিখিতভাবে, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, নির্দেশ দিতে পারে যে, আদেশে উল্লেখিত অবস্থায় ও শর্তে, যদি থাকে, উহার ক্ষমতা বোর্ডের চেয়ারম্যান অথবা কোন ট্রাস্টি অথবা বোর্ডের কোন কর্মকর্তা প্রয়োগ করিতে পারিবেন।

১০।      ট্রাস্টের তহবিল।- (১) ট্রাস্টের নিজস্ব তহবিল থাকিবে, যাহা এই অধ্যাদেশের অধীন কার্যাবলী সম্পাদন ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যয় করা হইবে।

(২)     সরকার কোন তফসিলী ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার একটি স্থায়ী আমানত হিসাব খুলিবে এবং উক্ত হিসাব হইতে লব্ধ সুদ সময়ে সময়ে ট্রাস্টের তহবিলে সরকারের অনুদান হিসাবে স্থানান্তরিত হইবে।

(৩)     নিম্নবর্ণিত খাত হইতে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা তহবিল গঠিত হইবে-

(ক) উপ-ধারা (২) এর অধীন সরকার প্রদত্ত স্থায়ী আমানতের সুদ;

(খ) দান এবং অনুদান;

(গ) বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত অন্য কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ;

(৪)  ট্রাস্টের সকল অর্থ একটি তফসিলী ব্যাংকে জমা থাকিবে।

(৫) বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ট্রাস্টি বা কর্মকর্তা ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করিবেন।

১১।     হিসাব এবং নিরীক্ষা।-  (১) ট্রাস্টের প্রাপ্ত অর্থ এবং ব্যয়িত অর্থের সঠিক হিসাব বোর্ড সংরক্ষণ করিবে।

(২) বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক নিয়ন্ত্রক কর্তৃক ট্রাস্টের হিসাব নিরীক্ষা করা হইবে।

১২।     প্রতিবেদন, ইত্যাদি দাখিল।- (১) ট্রাস্ট ইহার কার্যক্রমের একটি বাৎসরিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে।

(২)    সরকার ট্রাস্টকে ইহার কার্যাবলী অথবা ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোন বিষয়ের প্রতিবেদন, বিবরণী এবং তথ্য

সরবরাহের জন্য নির্দেশ দিতে পারে এবং ট্রাস্ট এইরূপ চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকিবে।

১৩।     বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা।- সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এই অধ্যাদেশের বিধানাবলীর কার্যকর করিবার লক্ষ্যে

বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।

১৪।     প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।- ট্রাস্ট, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, এই অধ্যাদেশ বা ইহার অধীন প্রণীত বিধিমালার সহিত অসংগতিপূর্ণ নহে এবং এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্যাবলী কার্যকর করিবার জন্য প্রয়োজনীয় বা সমীচীন এমন প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।

এইচ.এম. এরশাদ, এনডিসি.পিএসসি.

লেফট্যানেন্ট জেনারেল

প্রেসিডেন্ট।

এম. আবুল বাশার ভূইয়া

উপ-সচিব (খসড়া প্রণয়ন)

মুদ্রনে : খন্দকার ওবায়দুল মুক্তাদির, উপ-নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট প্রেস, ঢাকা। প্রকাশনায় ঃ সহকারী নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ ফর্মস্ এন্ড পাবলিকেশন অফিস ঢাকা।

রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১

বাংলাদেশ          গেজেট

অতিরিক্ত সংখ্যা

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত

রবিবার, জুলাই ১৫, ২০০১

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

ঢাকা, ১৫ই জুলাই, ২০০১/৩১শে আষাঢ়, ১৪০৮

সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিম্নলিখিত আইনগুলি ১৫ই জুলাই, ২০০১ (৩১শে আষাঢ়, ১৪০৮) তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইনগুলি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা যাইতেছে ঃ-

২০০১ সনের ৫২নং আইন

খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ , ১৯৮৩  সংশোধনকল্পে

প্রণীত আইন

যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্য পূরণকল্পে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ , ১৯৮৩ (খঢওঢ ড়ভ ১৯৮৩)  এর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-

১।  সংক্ষিপ্ত শিরোনাম  ও  প্রবর্তন ।-  (১) এই আইন খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ,  ১৯৮৩  (সংশোধন) বিল,  ২০০১ নামে অতিহিত হইবে।

(২)  এই আইন ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের ১লা জুলাই তারিখে বলবৎ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।২। ১৯৮৩ সালের ৬৯ নম্বর (খঢওঢ) এর  ধারা ১০ এর সংশোধন।- খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অধ্যাদেশ , ১৯৮৩ (খঢওঢ ড়ভ ১৯৮৩)  এর -

(ক) ধারা ১০ এর উপ-ধারা (২) এর ‘ এক কোটি টাকা’  শব্দগুলির  পরিবর্তে

‘তিন কোটি টাকা ’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

(খ) উপরের ক্লজ (ক) এর অধীন সংশোধিত ধারা ১০ এর শেষে ফুলষ্টপের পরিবর্তে

একটি কোলন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং তৎপর  নিম্নরূপ শর্তাংশ  সন্নিবেশিত হইবে,    যথা :-

“ তবে, সরকার সময় সময় স্থায়ী আমানতের (ঋরীবফ উবঢ়ড়ংরঃ) পরিমান বৃদ্ধি

করিতে পারিবে”।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ

সচিব।

আবদুর রহমান (উপ-সচিব), উপ-নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারী মুদ্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক মুদ্রিত।

মোঃ আমিন জুবেরী আলম, উপ-নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ ফরমস্ ও প্রকাশনী অফিস,

তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত।


Share with :
Facebook Facebook